Skip to main content

Posts

Showing posts with the label কালা যাদু

টেলিপ্যাথি

আমাদের অনেকেরই হয়তো এমন অভিজ্ঞতা আছে যে আমরা একজন মানুষকে মনে মনে ভাবছি আর তখনই সেই লোকটি টেলিফোন করেছে অথবা তার সাথে দেখা হয়েছে। এমন অনেক যমজ ভাই বোন পাবেন যারা একে অপরের মনকে পড়তে পারে। এমনকি যমজ এক ভাই যদি অনেক দূরে কোন বিপদের সম্মুখীন হয় সেক্ষেত্রে অন্য ভাই, কাছে না থাকেও সাথে সাথে তার ভাইয়ের বিপদের ব্যাপারে অনুধাবন করে পারে। অনেক এক্সপার্ট এই ক্ষমতাকে টেলিপ্যাথি বলে থাকে। টেলিপ্যাথি হচ্ছে এমন একটি অভিজ্ঞতা যা কাজে লাগি য়ে আমারা অন্য মানুষের মনের ভাবনা বুঝতে পারি। Society for Psychical Research এর প্রতিষ্ঠাতা Frederic W. H. Myers টেলিপ্যাথি শব্দটি প্রথম ব্যাবহার করেন। যদিও এই বিষয়ের বৈজ্ঞানিক ভিত্তি এখনও শক্তভাবে তৈরি হয়নি কিন্তু অনেক বিজ্ঞানী এই বিষয়টি নিয়ে গবেষণা করছে। এখন দেখা যাক এই বিষয়টির কোন বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যা কেমন হতে পারে? বিজ্ঞানীরা দুইটি ভিন্ন তত্ত্বের মাধ্যমে টেলিপ্যাথিকে ব্যাখ্যার চেষ্টা করেন। প্রথমটি হল-Radio Wave Theory.এই থেওরি অনুযায়ী চিন্তার কারনে মানুষের মস্তিষ্ক থেকে এক ধরনের Radio wave বের হয়, যে wave অন্য কেউ গ্রহন করতে পারলে, সে প্রথম বাক্তির চিন্তা সম্পর্কে...

সে কে ছিল...?

Writer -  Rezowan Tushar এইটা আমি যখন বগুড়া ছিলাম ওই সময়ের একটা ঘটনা। আমি তখন বগুড়ার একটা বেসরকারী একটা কলেজ এ পড়তাম। একদিন কলেজ থেকে বাসাই ফেরার জন্য অটোরিক্সাতে উটছি তো আমার সামনের সিট এ বসে দুই জন লোক গল্প করতেছিল যে সারিয়াখান্দি গ্রাম এর কোন একটা পুরাতন বাড়িতে নাকি paranormal কিছু ঘটনা ঘটে। এইটা শুনে আমি তাদের কাছে থেকে ওই বাড়িটার পুরো ঠিকানাটা জেনে নিই। আগেই বলে রাখি আমার আর আমার একটা বন্ধুর এইসব paranormal ব্যাপার গুল নিয়ে জানার খুব ইচ্ছা ছিল আসলেই কি এই ধরনের কিছু আছে কিনা । তাই এই রকম কোন কিছু জানতে পারলেই আমরা ওই জায়গায় থাকতে চলে য়াইতাম । আমি এইটা জানার পরই আমার বন্ধু কে জানাই সে শুনে খুব খুশি হয় বলে চল অনেক দিন পর এই রকম একটা কিছু এর সন্ধান পাওয়া গেল দুজন একটা রাত থেকে আসি। তো আমরা ঠিক করলাম যে আমরা পরের দিন রাতেই ওই বাড়িতে থাকতে যাব। কিন্তু ওই দিন রাতের বেলা আমার ওই বন্ধু ফোন করে বলে যে সে যাইতে পারবে না ওর বাড়িতে কি জানি একটা সমস্যা হয়েছে। এইটা শুনে মনটা একটু খারাপ হয়ে গেল। তারপর ঠিক করলাম যে আমি একাই যাব । তো যে কথা সেই কাজ । আমি পরের দিন বিকাল ৩ টাই বাড়ি থেকে র...

নূপূরের আওয়াজ

রাইটার -  Chayan Saha অবশেষে লিখতে বসলাম।আমি তেমন গুছিয়ে লিখতে পারি না।একটূ লং পোস্ট।একটু কষ্ট করে পইড়েন।।আমার লাইফে কোনোদিন কিছু দেখি নাই সরাসরি!!কিন্তু অনেক কিছুই ফিল করছি।।।ছোট থাকতে আমাদের একান্নবর্তী পরিবার ছিলো।।এখনও মনে পড়ে ২ মাসের ব্যাবধানে মা ৩ টা তাবিজ শিকড় দিয়ে বাধা অবস্থায় পেয়েছিলো!!একটা চুলার নিচে,একটা চালের ড্রামে,আরেকটা বালিশের তুলার ভিতর!!জানি না কে বা কারা এইগুলা করতো,কিন্তু তখন থেকেই এইগুলা ভয় পাই।।।তাছাড়া আমাদের ঘরের(টিনের ঘর,মাঝে কার আছে যেখানে বিভিন্ন সরঞ্জাম রাখে) একটা সাইডে দুপুর ১২-৩ টা এবং রাত ১২-৩ টায় প্রতিদিন কট্ করে একটা সাউন্ড হবেই,যেন কেউ কাঠের তক্তায় পাড়া দিলো।।এবং এইটা ছোটবেলা থেকে শুনে অভস্থ্য!!কিন্তু তাজ্যব ব্যাপার হলো ওইজায়গার নিচে ঘড়ি টানাই আমরা, আজ পর্যন্ত যতো ঘড়ি টাঙানো হয়েছে সব অটোমেটিক ফাস্ট হয়ে যায়!!স্লো না!!! এবার আসি সরাসরি ভৌতিক কিছু এক্সপেরিয়েন্স!! ২০১০ সাল। HSC দিয়ে ঢাবির ভর্তির কোচিং করতে ঢাকায় যাই।পুরান ঢাকায় মামা বাসায় উঠি,যেহেতু মামাদের ঘরে আমার পড়াশোনার ডিস্টার্ব হবে তাই উনাদের একতলা বিল্ডিং এর পাশের ২ তলা বিল্ডিং এ থাকার ব...

বড় ব্ল্যক মেইলার

রাইটার -  Noor Shaqi একটু করে বলে রাখছি, আমার আম্মা হলেন মিতভাষী আর প্রচন্ড আত্নসম্মানবোধ সম্পন্ন নারী। আমাদের নানা / দাদার খান্দানে আম্মাকে সবাই বিশ্বাস ও ভালোবাসত.. দাদার বাড়ীতে আম্মাকে আমার কাজিনরা চাচী,জেঠি,মামি ডাকতোনা ডাইরেক্ট 'আম্মা ডাকতো'। আমরা এমন মায়ের সন্তান, এনিয়ে আমাদের বেশ গর্ব হতো..আম্মার আরেকটা গুন হলো তিনি যথেষ্ট সত্যবাদী এবং পরহেজগার নারী,আমাদের ফেমিলিতে বাবা, ভাই আর মামারা ছাড়া কেউ উনাকে সামনাসামনি দেখেনি, সবসময় আম্মা একটা পরদার আড়াল থেকে কথা বলতেন। আম্মার মেয়ের জামাইরাও উনার শুধু দুই চোখ ছাড়া কিছুই দেখেন নি!. পরদার ব্যপারে উনি একটু কঠোর...... যেটা বলছিলাম,ওইদিন থেকে আমাদের সাথে আব্বার ও বেশ একটা ডিসটেন্স চলে আসে... আগে আম্মা কথা বলতে চাইতেন্না এরপর আব্বা.. আমাদের ভাই বোনেরা সব কোন ঠাসা হয়ে পড়ছিলাম। যতো দিন যায় আমাদের সাথে আম্মা আব্বার ডিসটেন্স যেনো বাড়তেই থাকে আর আমরা রোবটের মতো খালি চেয়ে আছি আল্লাহ্‌ কবে উদ্ধার করেন? কিন্তু চেস্টা ত মানুষের করতে হবে! এইবার আমরা ভাই বোনেরা একটু নড়ে চড়ে বসলাম..এনাফ ইজ এনাফ... এইভাবে ত চলতে দেয়া যায়না?? ওরা একের পর এক ...

বাংলাদেশের ভয়ংকর রহস্যে ঘেরা ৫ টি জায়গা

বাংলাদেশের ভয়ংকর রহস্যে ঘেরা ৫ টি জায়গা। এসব জায়গা নিয়ে আপনাদের অভিজ্ঞতা কি রকম? ১। চিকনকালা (নিফিউ পাড়া): এই এলাকাটা বাংলাদেশ এবং বার্মার মাঝামাঝি।সেখানে হরহামেশাই দেখা যায় চিতা বাঘের চামড়া পড়ে আছে এদিক সেদিক এবং শকুনের আনাগোনা। কাছের মুরং গ্রাম চিকনকালার লোকেরা বলে প্রতিবছর নাকি (দিনটা নির্দিষ্ট না) হঠাত কোন জানান না দিয়ে বনের ভিতর রহস্যময় ধুপ ধাপ আওয়াজ আসে। শিকারীরা আওয়াজটা শুনলেই সবাই দৌড়ে বন থেকে পালিয়ে আসে। কিন্তু প্রতিবছর কিছু মানুষ পিছনে পড়ে যান এবং কয়েকদিন প র বনের মধ্যে তাদের মৃত দেহ পাওয়া যায়। বডিতে আঘাতের কোন চিহ্ন নেই, চোখে শুধু রয়েছে অজানা ভয়ের ছাপ। ২। সোয়াচ অফ নো গ্রাউন্ড বা অতল স্পর্ষী : মেঘনা নদী যেখানে সাগরে মিশেছে সে জায়গাটাকেই বলা হয় সোয়াচ অফ নো গ্রাউন্ড।বহু আগে ব্রিটিশরা সোয়াচ অফ নো গ্রাউন্ড নামটি দেয় কারন সোয়াচ অফ নো গ্রাউন্ড যেখানে শুরু সেখানে হঠাৎ করেই পানির গভীরতা বেড়ে গেছে এবং এই জায়গাটির কোন তল নাই। এর কারণ হলো ,সাগরের তলদেশের রহস্য। ৩। গানস অফ বরিশালঃ ব্রিটিশরা বরিশালে আসার সময় নাম ছিল বাকেরগঞ্জ। বাকেরগঞ্জের ততকালীন ব্রিটিশ সিভিল সার...