Skip to main content

পোড়া ভূতের বাড়ি

এই বাড়িটি উত্তর কোরিয়াতে অবস্থিত।
বাড়িটাকে ঘিরে একটি রহস্য দানা বেঁধে আছে।। অনেকেই তাকে বলে পোড়া ভূতেরবাড়ি।। অনেকেই বলে অভিশপ্ত।। এর পিছনের ঘটনা তুলে ধরছি।। এই বাড়ির তৃতীয় তলায় ভাড়া থাকতো একজন সরকারি কর্মজীবী।। লোকটা, তার স্ত্রী, এবং এক মেয়েকে নিয়েই তাদের পরিবার ছিল।। একদিন খুব রাতে পার্টি করে বাসায় আসার পর লোকটা এবং তার পরিবারের সবাই ঘুমাতে চলে যায়।। তাদের অসতর্কতায় চুলা থেকে প্রথমে লিভিং রুমে আগুন লাগে।। এবং পড়ে দ্রুত সেই আগুন বেডরুমে ঢুকে পড়ে।। রাতে ঘটার কারণে কেউ তাদের সাহায্য করতে পারে নি।। ফায়ার বিগ্রেড আগুন নেভানোর পর পুড়ে কঙ্কাল হয়ে যাওয়া তিনটি লাশ উদ্ধার করে।। ঘটনা ঘটা শুরু করে এরপর থেকে।। সেই বাড়িতে প্রায় ১ বছর পর নতুন ভাড়াটে আসে।। কয়েকদিন পর থেকে তারা অভিযোগ করতে থাকে যে বাড়িতে নাকি সন্ধ্যার পর থেকেই ছাই উড়তে দেখা যায়।। পোড়া ছাই।। যদিও তারা ছাই তৈরি হবার মতো কোন কজকরে না তবুও তারা প্রায়ই এই জিনিস দেখতে পায়।। মাঝে মাঝে স্বচ্ছ সাদা জিনিসপত্র (যেমন তোয়ালে, সাদা শার্ট, প্যান্ট) এর মধ্যে কালো কালো ছোপ পাওয়া যায়।। ছোপগুলো অনেকটা হাতের আকৃতির।। এবং তার আসে পাশে ছড়িয়ে ছিটিয়ে থাকে ছাইয়ের গুঁড়া।।
মানুষের মধ্যে আতঙ্ক দানা বাঁধতে লাগলো।।
তবে কি ফিরে এলো সেই লোকটা এবং তার পরিবার?? এবার কি তবে অতৃপ্ত আত্মা হয়ে ফিরে এলো নিজেদের ঘরে??ঘটনা মারাত্মক রূপ নেয় যখন সেই ফ্ল্যাটের এক লোক কিছু একটা প্রত্যক্ষ করে।। ব্যপারটা অনেকটা এরকমঃ রাতে টয়লেট চাপায় সেই ব্যক্তি ঘর থেকে বের হয়ে টয়লেটে যাচ্ছিলেন।। কাজ শেষে নিজ ঘরে ফিরে যাওয়ার সময় তিনি রান্নাঘরে খসখস শব্দ পান।। ঘরের লাইট নিভানো ছিল।। কারেন্টের অপচয় রোধ করার জন্যই হয়তো।। তিনি ভাবলেন বেড়াল হতে পারে।। রান্না করা কিছু খাবার তখনো বাইরে ছিল।। উনি তাই বিড়ালটাকে তাড়িয়ে দেয়ার জন্য রান্নাঘরে উঁকি দিলেন।। উঁকি দিয়েই ভয়ে জমে গেলেন তিনি।। রান্নাঘরে ঠিক তাকের পাশে তিনটি ছায়ামূর্তি দাঁড়িয়ে আছে।। দাঁড়িয়ে না ঠিক, মাটির উপর ভেসে আছে।। অথবা খুব লম্বা।। কারণ উনার চেয়ে সেগুলোর উচ্চতা অনেক বেশি ছিল।। দেখার সাথে সাথে তিনি চিৎকার দিয়ে অজ্ঞান হয়ে যান।। বাড়ির লোকজনের সেবায় উনার জ্ঞান ফিরলে উনি সব কথা খুলে বলেন।।
সাথে সাথে সবাই মিলে রান্নাঘরে যান এবং দেখতে পান তাকের উপর একসাথে অনেকগুলো ছাই স্তুপ হয়ে পড়ে আছে।। চিন্তা করেন, একটা পরিষ্কার পরিচ্ছন রান্নাঘর, তার একটি তাকে স্তুপ করা ছাই।। কেমন ব্যপার?? সেই থেকে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়লো পুরো এলাকায়।। অনেকেই বাড়িটিকে ভূতুড়ে বাড়ি আখ্যায়িত করলেন।। বাড়ির মালিকও ভয় পেয়ে বাড়ি বিক্রির চেষ্টা করতে লাগলেন।। এর মাঝে একদিন বাড়িতে নাইট ভিসন ক্যামেরা লাগান এলাকার একজন কৌতূহলী ব্যক্তি।। সেই নাইট ভিশন ক্যামেরায় এই ছবিটি ধরা পড়ে।। ছবিটি তোলার কিছুদিনের মধ্যে ঐ ব্যক্তি নিজ ঘরে বিষপান করে মারা যান।। এর মাঝে কোন যোগসাজশ আছে কি?? 


এই ঘটনা নিয়ে অচিরেই একটি ছবি বানানো হবে কোরিয়াতে।।

Popular Posts

ব্ল্যাক ম্যাজিক/কালা যাদু থেকে বাঁচার উপায়

রাইটার -  মি. জোকার আমার  প্রথম ৩টি পোষ্টের মাধ্যমে আমি কালা যাদু, জ্বিন, কুফুরি/তাবিজ/বান নিয়ে বলেছি । অনেকে হয়ত এই বেপারে অনেক অবগত হয়েছেন । আর অনেকে বেপারগুলা জানেন কিন্তু এ থেকে বাঁচার উপায় জানেন না । আমি  কালা যাদুর থেকে নিজেকে বাচানোর কিছু প্রথমিক বিষয় আপনাদেরকে জানানোর চেষ্টা করব। আশা করি আপনাদের ভালো লাগবে আর উপকারেও আসবে । তবে  আমি ব্ল্যাক ম্যাজিক নিয়ে আগে কিছু বলতে চাই । এই ব্ল্যাক ম্যাজিকের অনেক গুলা শ্রেণী বিভাগ রয়েছে । এর মধ্যে কুফরি, ডাকিনি বিদ্যা, ট্যারোট কার্ড অন্যতম । এরা সবাই শ য়তানের পূজা করে । তবে সব কুফরিকারী, ডাকিনিবিদ্যাকারী, ট্যারোট কার্ড রিডার কালা যাদুকর হলেও অনেক কালা যাদুকর এগুলা করে না । আবার সব শয়তানের পূজারি আবার কালা যাদু কর না। যেমন লাভেয়ান সাটানিজম এই জনগোষ্ঠীর কথা আলাদা (এরা শয়তানের পূজা করলেই এদের সব আলাদা বৈশিষ্ট্য রয়েছে ) তাহলে  শুরু করা যাক , প্রথমেই বলে নেই সব ধর্মে বলা আছে যে মানুষ সৃষ্টির সেরা জীব, আর সৃষ্টিকর্তার উপরে আর কেউ নেই । তাই সকল পরিবেশে তার উপরে ভরসা রাখুন । আমরা  ইসলাম ধর্মের যারা আছি তারা...

অতৃপ্ত আইডি

রাত তখন প্রায় ২ টা। ফেসবুকিং করছিলাম। হঠাৎ দেখলাম একটা ফ্রেন্ড রিকুয়েস্ট আসলো। গিয়ে দেখলাম একটা মেয়ের আইডি, আইডির নাম, 'তামান্না আফরিন'।  আমি প্রোফাইল চেক না করেই রিকুয়েস্ট এক্সেপ্ট করে ফেললাম।  রিকুয়েস্ট এক্সেপ্ট করার পর আমি মেয়েটির প্রোফাইলে ঢুকলাম, এবং তার ছবিগুলো দেখতে লাগলাম।  মাশাআল্লাহ! এতো সুন্দর মেয়েটা! বলার বাহিরে! তার আইডিতে তার সাথে অনেকেরই ছবি আছে। এরা হয়তো তার ফ্রেন্ডস আর ফেমিলি মেম্বার। এসব দেখে এতটুকু নিশ্চিত হলাম যে এটা ফেইক আইডি না।  আমি তার ছবিগুলো দেখতে লাগলাম। . মিনিট খানিক পর একটা মেসেজ আসলো। ইনবক্সে গিয়ে দেখলাম এই মেয়েটারই মেসেজ। মেয়েটি "হাই" দিলো। আমিও রিপ্লাই দিলাম "হেলো"। মেয়েটি বললো, ~ কেমন আছেন? . -- জি ভালো। আপনি? . ~ হ্যা ভালো। . -- জি, ফ্রেন্ড রিকুয়েস্ট দেয়ার কোনো কারণ? . ~ নাহ, এমনিই দিলাম। . -- ওহ আচ্ছা। . ~ আপনাকে ভালো লেগেছে। . তার এ কথা শুনে কিছুটা অবাক হলাম। আবার একটু ভালোও লাগলো। কারন ওর ছবিগুলো দেখে ও কে আমার অনেক ভালো লেগেছে। আমি জবাব দিলাম, -- ইয়ে..মানে, বুঝতে পারলাম না . ~ বললাম, আপনাকে আমার অনেক ভালো লেগেছে। . -- ও...

হরর মুভি রিভিউ - “দ্য এক্সরসিসম অফ এমিলি রোজ”

চলে এলাম আজকের মুভি সিনোপসিস নিয়ে।। আজকে আমি যে মুভিটা নিয়ে লিখবো, সেটা হরর মুভি এর জগতে একটি বিশেষ অবস্থান করে রেখেছে। কারণ, মুভিটির মূল চরিত্রের অস্তিত্ব বাস্তব জীবনেও ছিল এবং এটি প্যারানরমাল বিষয়ের হিস্ট্রিতে একটি বহুল আলোচিত ঘটনার উপর চিত্রিত। মুভিটির নাম হলোঃ- “দ্য এক্সরসিসম অফ এমিলি রোজ” ( The Exorcism Of Emily Rose ) The Exorcism Of Emily Rose আমার মনে হয় মুভির সামারি না দিয়ে আপনাদের সত্য ঘটনাটা বললেই আপনারা বেশি উপকৃত হবেন। কারন, মুভি তো আপনারা ডাউনলোড করেই দেখতে পারবেন। কিন্তু মূল ঘটনা ইন্টারনেটেও কোথাও গুছিয়ে লেখা নাই। তাই আজ আমি প্রথমে ঘটনাটা দিয়েই শুরু করি। “এমিলি রোজ” একটি ফিকশনাল নাম। যার ঘটনা নিয়ে এই মুভিটা হয়েছে তার আসল নাম হলো, “ আনেলিসা মিশেল ” । সে ১৯৫২ সালের ২১শে সেপ্টেম্বার, জার্মানিতে জন্মগ্রহণ করে। বাভেরিয়া শহরের খুবই সাধারণ এবং সুন্দর একটি মেয়ে ছিল সে। সহজ-সরল এবং ধার্মিক স্বভাবের ছিল। ১৬ বছর বয়সে অর্থাৎ ১৯৬৮ সালে হঠাৎ একদিন সে দেখল সে তার নিজের শরীরের উপর নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে ফেলছে। সাহায্যের জন্য সে তার পিতা-মাতা আর তিন বোনকে ডেকেছিল ঠিকই কিন্তু তা...